fbpx
You are here
Home > ক্রিকেট > শ্বাসরুদ্ধকর জয়ে সমতায় ফিরলো টাইগার যুবারা!

শ্বাসরুদ্ধকর জয়ে সমতায় ফিরলো টাইগার যুবারা!

শ্বাসরুদ্ধকর জয়ে সমতায় ফিরলো টাইগার যুবারা!

সাভারের বিকেএসপিতে প্রথম ম্যাচে শ্রীলঙ্কা ইমার্জিং দলের কাছে বাজেভাবে হারার পর আজ সিরিজের বাঁচা-মরার লড়াইয়ে দারুণভাবে ঘুরে দাঁড়িয়েছে বাংলাদেশ ইমার্জিং দল। লঙ্কানদের দেওয়া ২৭৪ রান তাড়া করতে নেমে ২ উইকেটের এক শ্বাসরুদ্ধকর জয় ছিনিয়ে নিয়েছে নাজমুল হাসান শান্ত বাহিনী। যার ফলে ৩ ম্যাচ সিরিজে এই মুহূর্তে ১-১ এর সমতায় রয়েছে দুই দল। আগামী ২৪ আগস্ট খুলনায় হবে সিরিজের শেষ ওয়ানডে।

টস জিতে ব্যাটিংয়ের সিদ্ধান্ত নেয় শ্রীলঙ্কা এইচপি দল। উদ্বোধনী ব্যাটসম্যান পাধুন নিশাঙ্কার ব্যাটে শুরু থেকে এগোতে থাকে লঙ্কানরা। তাকে যোগ্য সঙ্গ দেন চারিতা অশালঙ্কাও। কিন্তু হঠাৎ করেই যেন খেই হারিয়ে ফেলে তাঁরা। ১৪৩ রানে পাঁচ উইকেট হারিয়ে বিপাকে পড়ে শ্রীলঙ্কা এইচপি দল। সেখান থেকে দলকে একপাশে থেকে আগলে রাখেন কামিন্ডু মেন্ডিস। জেহান ড্যানিয়েলের সঙ্গে ৫৭ রানের জুটি গড়েন মেন্ডিস।

দলীয় ২৪১ রানে ব্যক্তিগত ৬৫ রান করে শফিকুলের বলে এলবিডব্লিউর শিকার হন কামিন্ডু। অবশ্য নিচের সারির ব্যাটসম্যানদের নিয়ে রান করে যান জেহান ড্যানিয়েল। শেষ পর্যন্ত তার ৪৩ রানের ইনিংসে সবকটি উইকেট হারিয়ে ২৭৩ রান করতে সক্ষম হয় শ্রীলঙ্কা এইচপি দল। বাংলাদেশের হয়ে বল হাতে সর্বোচ্চ ৩টি উইকেট লাভ করেন শফিকুল। এছাড়া নাঈম হাসান ২টি এবং সুমন, বিপ্লব ও ইয়াসিন ১টি করে উইকেট শিকার করেন।

জবাবে ব্যাট করতে নেমে শুরুতেই ধাক্কা খায় বাংলাদেশের যুবারা। ৫ রানে রান আউট হয়ে সাজঘরে ফিরে যান ওপেনার নাইম। এরপর আরেক ওপেনার সাইফের সাথে জুটি বাঁধেন দলপতি শান্ত। কিন্তু দলীয় ৬৪ রানে তিনিও সাজঘরে ফিরে যান। সেখান থেকে ইয়াসির আলীর সাথে ১২০ রানের বড় জুটি করে জয়ের ভিত গড়ে ফেলেন অধিনায়ক। বিদায় নেওয়ার আগে ৮৮ বলে ৭৭ রানের ইনিংস খেলেন তিনি।

আর ৯৩ বলে ৩ চার ও ৫ ছয়ের সুবাদে ম্যাচ জয়ী ৮৫ রানের ইনিংস খেলে মাঠ ছাড়েন ইয়াসির আলী চৌধুরী। তবে শেষদিকে নিয়মিত ভাবে উইকেট যাওয়ায় একসময় শঙ্কায় ছিল টাইগার যুবাদের জয়। তবে শেষ ওভারে বোলার ইয়াসিন আরাফাত ২টি ছয় মেরে দলকে জয়ের নোঙর তুলতে সহায়তা করেন। লঙ্কানদের হয়ে শিরান ও জেহান ২টি করে এবং আমিলা ও হাসারাঙ্গা ১টি করে উইকেট তুলে নেন।

সংক্ষিপ্ত স্কোরকার্ডঃ

শ্রীলঙ্কা ইমার্জিং দলঃ ২৭৩/১০; ৪৯.৪ ওভার (নিশাঙ্কা ৫৫, অশালঙ্কা ৪৫, শাম্মু ২১, কামিন্ডু ৬৫, জেহান ৪৩; শফিকুল ৩/৫১, নাঈম ২/৩৫)

বাংলাদেশ ইমার্জিং দলঃ ২৭৪/৮; ৪৯.৩ ওভার (সাইফ ২৭, শান্ত ৭৭, ইয়াসির ৮৫, আফিফ ১৮, নাঈম ৯*, ইয়াসিন ১২*; শিরান ২/৩০, জেহান ২/৪৬)

ফলাফলঃ বাংলাদেশ ইমার্জিং দল ২ উইকেটে জয়ী

সিরিজঃ ৩ ম্যাচ সিরিজ ১-১ সমতায়

ম্যাচ অব দ্যা ম্যাচঃ ইয়াসির আলী চৌধুরী (বাংলাদেশ ইমার্জিং দল)

ছবিঃ ইন্টারনেট থেকে সংগৃহীত

উপরে