fbpx
You are here
Home > ক্রিকেট > মালান-মরগান ঝড়ে উড়ে গেলো নিউজিল্যান্ড!

মালান-মরগান ঝড়ে উড়ে গেলো নিউজিল্যান্ড!

মালান-মরগান ঝড়ে উড়ে গেলো নিউজিল্যান্ড!

পাঁচ ম্যাচ টি-টোয়েন্টি সিরিজ খেলতে নিউজিল্যান্ড সফর করছে বিশ্বকাপ জয়ী ইংল্যান্ড। বিশ্বকাপ ফাইনালের পর এই সফরেই তাদের মধ্যে প্রথম দেখা। এর আগে সিরিজের প্রথম ম্যাচে ইংল্যান্ড জয় তুলে নেওয়ার পর পরের দুই ম্যাচ জিতে সিরিজে এগিয়ে যায় স্বাগতিকরা। তবে আজ চতুর্থ ম্যাচ জিতে আবারও সমতায় ফিরলো ইংল্যান্ড। মালান-মরগানের ঝড়ো ব্যাটিংয়ে ২৪১ রানের পাহাড়সম পুঁজি পায় ইংল্যান্ড যা আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টিতে সর্বোচ্চ। এর আগের সর্বোচ্চ ছিল ২৩০, যা করছিল দক্ষিণ আফ্রিকা। ইংল্যান্ডের দেওয়া এই লক্ষ্যে ১৬৫ রানেই গুটিয়ে যায় কিউই ইনিংস। ৭৬ রানের বড় জয় পায় ইংল্যান্ড।

এর আগে টস হেরে প্রথমে ব্যাট করতে নামে ইংল্যান্ড। ৩.১ ওভারে ওপেনার জনি বেয়ারস্ট ফিরে যান স্যান্টনারের শিকার হয়ে। দলীয় স্কোর তখন ১৬। পরে ক্রিজে নতুন আসা ডেভিড মালানকে সাথে নিয়ে জুটি গড়েন আরেক ওপেনার টম ব্যানটোন। তবে দলীয় ৫৮ রানে ব্যান্টনও ফিরে যান। আউট হওয়ার আগে ২০ বলে ৩১ রান করেন ব্যানটন। এরপর ক্রিজে আসা ইংলিশ অধিনায়ক ইয়ন মরগানকে সাথে নিয়ে ঝড়ো ব্যাটিং শুরু করেন ডেভিড মালান।

মালান-মরগান জুটিতে ১৮২ রান যোগ হয় ইংলিশ স্কোরবোর্ডে। এর মাঝে দুজনই তুলে নেন নিজেদের অর্ধ শতক। ইনিংসের শেষ ওভারে সেঞ্চুরি বঞ্চিত থেকে ফিরে যান মরগান। সাউদির শিকার হয়ে সাজঘরে ফেরার আগে ৭ ছয় ও ৭ চারের সুবাদে ৪১ বলে ৯১ রান করেন তিনি। এদিকে মরগান না পারলেও সেঞ্চুরি তুলে নেন মালান। ৬ ছয় ও ৯ চারের সুবাদে ৫১ বলে অপরাজিত ১০৩ রানের ইনিংস খেলেন মালান। শেষ পর্যন্ত নির্ধারিত ২০ ওভার শেষে ৩ উইকেট হারিয়ে ২৪১ রানের বড় সংগ্রহ পায় ইংল্যান্ড।

২৪২ রানের বড় লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে শুরুটা দারুণ করে নিউজিল্যান্ড। গাপটিল-মুনরোর ওপেনিং জুটিতে আসে ৫৪ রান। ৪.৩ ওভারে ১৪ বলে ২৭ রান করে ফেরেন গাপটিল। তার উইকেট শিকার করেন টম কারান। এরপরে নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারাতে থাকে নিউজিল্যন্ড। দলীয় ৭০ রানে মুনরো ফিরে গেলে আরও বিপাকে পড়ে নিউজিল্যান্ড। শেষ দিকে ১৫ বলে ৩৯ রানের ঝড়ো এক ইনিংস খেলেন টিম সাউদি। তবে তা ইংল্যন্ডের দেওয়া বড় লক্ষ্য তাড়া করার জন্য যথেষ্ট ছিল না। শেষ পর্যন্ত ১৬.৫ ওভারে ১৬৫ রান তুলেই গুটিয়ে যায় নিউজিল্যান্ডের ইনিংস। ইংল্যান্ডের পক্ষে  সর্বোচ্চ ৪টি উইকেট শিকার করেন পার্কিনসন। আছাড়া জর্ডান ২টি এবং স্যাম, টম ও প্যাট্রিক তুলে নেন ১টি করে উইকেট।

সংক্ষিপ্ত স্কোরকার্ডঃ

ইংল্যান্ডঃ ২৪১/৩, ২০ ওভার (মালান ১০৩*, মরগান ৯১, ব্যানটন ৩১; স্যান্টনার ২/৩২, সাউদি ১/৪৭)

নিউজিল্যান্ডঃ ১৬৫/১০, ১৬.৫ ওভার (সাউদি ৩৯, মুনরো ৩০, গাপটিল ২৭; পার্কিনসন ৪/৪৭, জর্ডান ২/২৪, টম ১/২৬)

ফলাফলঃ ইংল্যান্ড ৭৬ রানে জয়ী

প্লেয়ার অব দ্যা ম্যাচঃ ডেভিড মালান (ইংল্যান্ড)

সিরিজঃ ৫ ম্যাচ সিরিজের ৪ ম্যাচ শেষে দুইদল ২-২ সমতায়

ছবিঃ ইন্টারনেট থেকে সংগৃহীত

উপরে