fbpx
You are here
Home > ফুটবল > বায়ার্নের কাছে ৪-০ গোলে বিধ্বস্ত হলো ডর্টমুন্ড!

বায়ার্নের কাছে ৪-০ গোলে বিধ্বস্ত হলো ডর্টমুন্ড!

বায়ার্নের কাছে ৪-০ গোলে বিধ্বস্ত হলো ডর্টমুন্ড!

শেষ ২০১৩-১৪ মৌসুমে শেষ বায়ার্নের ঘরের মাঠ আলিয়াঞ্জ অ্যারেনাতে জয়ের দেখা পেয়েছিল বুরুশিয়া ডর্টমুন্ড। তবে বায়ার্নের সাম্প্রতিক ফর্মে বায়ার্নের মাঠেও ফেভারিট ধরা হচ্ছিল ডর্টমুন্ডকে। কিন্তু ঘরের মাঠে ডর্টমুন্ডকে পাত্তাই দিল না বায়ার্ন। লেওয়ানডস্কির জোড়া গোলে ডর্টমুন্ডকে ৪-০ গোলে বিধ্বস্ত করেছে বর্তমান লিগ চ্যাম্পিয়নরা। বায়ার্নের পক্ষে অন্য গোল দুটির একটি করেছেন গ্যানাবরি এবং আরেকটি হয়েছে আত্মঘাতী গোল।

ঘরের মাঠে শুরু থেকেই গোছানো ফুটবল খেলছিল বায়ার্ন। প্রেসিং ফুটবলে প্রতিপক্ষকে চাপে রাখছিল তারা। মুহুর্মুহু আক্রমণে ডর্টমুন্ডের রক্ষণভাগকে তটস্থ করে তুলছিল বায়ার্ন। এর মাঝে ম্যাচের ১৭তম মিনিটে বায়ার্নকে লিড এনে দেন লেওয়ানডস্কি। বানজামিন পাভার্ডের ক্রসে হেড করে বল জালে জড়ান পলিশ এই স্ট্রাইকার। প্রথমার্ধে আরও বেশ কিছু সুযোগ তৈরি করেছিল বায়ার্ন। তবে যথাযথ ফিনিশিংয়ের অভাবে সেই সুযোগ গুলো আর গোলে পরিণত হয়নি।

দ্বিতীয়ার্ধ শুরুর দুই মিনিটের মাথায় ব্যবধান দ্বিগুণ করেন গ্যানাবরি। ম্যাচের ৪৭তম মিনিটে মুলারের পাস থেকে বল পেয়ে ব্যাকহিলে গ্যানাবরির কাছে বল পাঠান লেওয়ানডস্কি। সেই বলে বাঁপায়ের প্লেসিং শটে বল জালে জড়াতে ভুল হয় না সাবেক আর্সেনাল ফরোয়ার্ডের। ম্যাচের ৭৬তম মিনিটে নিজের দ্বিতীয় গোলটি করেন লেওয়ানডস্কি। আর এই গোলে বুন্দেসলিগার ইতিহাসে যেকোন মৌসুমে ১১ ম্যাচ শেষে জার্ড মুলারের গড়া ১৫ গোলের রেকর্ড ভেঙ্গে দেন তিনি। ১১ ম্যাচ শেষে লেওয়ানডস্কির গোল সংখ্যা এখন ১৬।

ম্যাচ শেষের মিনিট দশেক আগে ডর্টমুন্ডের কফিনে শেষ পেড়েকটি মারেন ডর্টমুন্ডেরই ডিফেন্ডার  হামেলস। ইভান পেরিসিচের ক্রস ক্লিয়ার করতে গিয়ে নিজেদের জালেই বল জড়িয়ে দেন তিনি। শেষ পর্যন্ত বায়ার্ন ম্যাচ জিতে নেয় ৪-০ গোলের ব্যবধানে।

ছবিঃ ইন্টারনেট থেকে সংগৃহীত

উপরে