fbpx
You are here
Home > আলোচিত ক্রীড়াঙ্গন > চাপ নিয়ে ভাবছেন না ডোমিঙ্গো-ল্যাঙ্গাভেল্ট!

চাপ নিয়ে ভাবছেন না ডোমিঙ্গো-ল্যাঙ্গাভেল্ট!

চাপ নিয়ে ভাবছেন না ডোমিঙ্গো-ল্যাঙ্গাভেল্ট!

বিশ্বকাপের পরে কোচিং স্টাফে পরিবর্তন এনে ঢেলে সাজিয়েছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড। প্রধান কোচ স্টিভ রোডসের পাশাপাশি পেস বোলিং কোচ কোর্টনি ওয়ালশ এবং স্পিন কোচ সুনীল যোশিকেও বিদায় জানিয়ে দেয় বিসিবি। পরে প্রধান কোচ হিসেবে নিয়োগপ্রাপ্ত হন রাসেল ডোমিঙ্গো। আর পেস বোলিং কোচ হিসেবে আসেন চার্ল ল্যাঙ্গাভেল্ট এবং স্পিন বোলিং কোচের দায়িত্ব পান ড্যানিয়েল ভেট্টরি।

গতকাল বাংলাদেশে পা রাখেন ল্যাঙ্গাভেল্ট এবং ডোমিঙ্গো। আর আজ যোগ দেন মিরপুরে কন্ডিশনিং ক্যাম্পে। ক্যাম্পে মাঠের পর্ব সেরে সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের প্রশ্নোত্তর পর্বে এসে পরিষ্কার জানিয়ে দিলেন বড় কোনও স্বপ্ন দেখাতে আসেননি তারা। তারা চাইছেন এখনকার অবস্থান থেকে বাংলাদেশ ক্রিকেটকে ভালো একটা অবস্থানে নিয়ে যেতে। উঠতি ক্রিকেটারদের নিয়ে কাজ করে মজবুত পাইপ লাইন গড়ে তোলার লক্ষ্যের কথা জানালেন দুজনই।

অবশ্য তারপরেও বাংলাদেশের ক্রিকেট ও তাদের কাছে এদেশের ক্রিকেটের চাওয়া পাওয়াই আসলে মূখ্য। আর তাই দুজনই নিজেদের দায়িত্ব বুঝে নিতে চান দ্রুত। তবে চাপ নিয়ে ভাবছেন না জানিয়ে ডোমিঙ্গো বলেন, “কোচ হিসেবে চাপকে পেছনে ফেলে আমরা সামনে এগুতে চাই। উপভোগ করতে চাই সমর্থকদের প্রত্যাশার চাপ। আমরা যদি আগেই জেনে যাই যে আমরা সব ম্যাচ জিতবই, তাহলে সেটা হবে দুনিয়ার সবচেয়ে বিরক্তিকর কাজ। চাপ যখন আসবে, চ্যালেঞ্জ আসে তখন। উপভোগের ব্যাপারটাও তখন বেশি।”

বিমান বন্দরে নেমেই ক্রিকেটের প্রতি এদেশের আবেগ টের পাওয়া ডোমিঙ্গো আরও বলেন, “সত্যি কথা, আমি কখনও এত সাংবাদিক একসঙ্গে দেখিনি। দক্ষিণ আফ্রিকায় কোচ থাকাকালীন বড় কোনও ম্যাচ শেষে বেশি হলে ৮ থেকে ৯ জন সাংবাদিকের উপস্থিতি দেখা যায়। এই যে আপনাদের এত উপস্থিতি, ক্রিকেটের প্রতি সমর্থকদের আবেগ, ভালোবাসাই হয়তো আমাকে এখানে নিয়ে এসেছে।”

অবশ্য ক্রিকেট নিয়ে এশিয়ার মানুষের আবেগ সম্পর্কে আগেই অবহিত লম্বা সময় ধরে আফগানিস্তান ক্রিকেটের সাথে কাজ করা ল্যাঙ্গাভেল্ট। তিনি বলেন, “আমি লম্বা সময় ধরে আফগানিস্তান ক্রিকেটের সঙ্গে কাজ করেছি। সেখানকার মানুষের ক্রিকেট নিয়ে অনেক আবেগ, ভালোবাসা দেখেছি। আশা করি এখানে কাজ করতে খুব বেশি সমস্যা হবে না আমার।”

বাংলাদেশের স্পিন সহায়ক কন্ডিশনে পেসারদের নিয়ে কাজ করাটা কেমন কঠিন হবে সে প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “উপমহাদেশে উইকেটগুলো স্বাভাবিকভাবেই স্পিন সহায়ক। তাই এখানকার কন্ডিশনে কাজ করাটা চ্যালেঞ্জিংই বটে। পেসারদের ক্ষেত্রে নতুন বলে বোলিং করাটা কঠিন হয়ে পড়ে। আমি চাইবো এসব নিয়ে কাজ করতে। পেস বোলিংয়ের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো লাইন-লেন্থ ঠিক রেখে বল করা। এগুলো নিয়েই কাজ করতে হবে আগে।”

ছবিঃ ইন্টারনেট থেকে সংগৃহীত

উপরে