fbpx
You are here
Home > ফুটবল > ইকুয়েডরকে উড়িয়ে দিল তরুণ আর্জেন্টিনা!

ইকুয়েডরকে উড়িয়ে দিল তরুণ আর্জেন্টিনা!

ইকুয়েডরকে উড়িয়ে দিল তরুণ আর্জেন্টিনা!

দুই দিন আগেই জার্মানির বিপক্ষে ২-২ গোলে ড্র নিয়ে মাঠ ছেড়েছিল আর্জেন্টিনা। আর এবার ইকুয়েডরকে ৬-১ গোলে উড়িয়ে দিল আর্জেন্টিনার তরুণ দল। নিষেধাজ্ঞার কারণে এই দলে ছিলেন না লিওনেল মেসি। এদিকে ডি মারিয়া-আগুয়েরোদেরকেও দলে রাখেননি কোচ লিওনেল স্কালোনি। তবে এদের অনুপস্থিতি টের পেতে দিচ্ছেন না আর্জেন্টিনার তরুণ এই দলটি। দলীয় পারফর্মেন্সে নজর কাড়ছেন ফুটবল বিশ্বের।

জার্মানির বিপক্ষে ম্যাচে দারুণ খেলেছিলেন আলারিও-ওকাম্পোসরা। এবার প্রথম একাদশেই তাদেরকে নামিয়ে দিলেন কোচ স্কালোনি। এদিকে রক্ষণের দায়িত্ব পালন করেছেন পেৎজেলা-কানেমানরা। প্রথমার্ধে ইকুয়েডরকে একদিকে আক্রমণের বিষে জর্জরিত করেছেন আলারিও-পেরেদেসরা। অন্যদিকে ইকুয়েডর ফরোয়ার্ডদের পাত্তাই দেননি আর্জেন্টাইন ডিফেন্ডাররা। ম্যাচের ২০তম মিনিটে প্রথম লিড নেয় আর্জেন্টিনা। মাঠের বামপ্রান্ত থেকে আকুনিয়ার ক্রস থেকে ভেসে আসা বলে হেড করে জালে জড়ান আলারিও।

ম্যাচের ২৭তম মিনিটে আত্মঘাতী গোল করে বসেন ইকুয়েডরের এস্পিনোজা। বাম প্রান্ত থেকে ভেসে আসা আর্জেন্টিনার ক্রস ক্লিয়ার করতে গিয়ে নিজেদের জালেই জড়িয়ে দেন ইকুয়েডরের এই রাইটব্যাক। এদিকে ৩২তম মিনিটে স্কোরলাইন ৩-০ করেন পেরেদেস। আকুনিয়ার ক্রস ডিবক্সের ভেতর নিয়ন্ত্রনে নিতে গেলে তাকে ট্যাকল করেন ইকুয়েডরের দারিও আইমার। সাথে সাথে পেনাল্টির বাঁশি বাজান রেফারি। স্পটকিক থেকে গোল করতে ভুল করেন না পেরেদেস।

৩-০ গোলে এগিয়ে থেকে প্রথমার্ধ শেষ করা আর্জেন্টিনা দ্বিতীয়ার্ধের শুরু থেকেও ছিল দুর্দান্ত। তবে ৪৯তম মিনিটে ডিবক্সের বাইরে পাওয়া ফ্রিকিক থেকে একটি গোল পরিশোধ করে ইকুয়েডর। আনহেল মানিয়ার করা দুর্দান্ত ফ্রিকিক আর্জেন্টাইন গোলরক্ষক বুঝে ওঠার আগেই জালে জড়িয়ে যায়। তবে এরপর আর ম্যাচে তেমন একটা প্রভাব ফেলতে পারেনি ইকুয়েডর। ৬৬তম মিনিটে পাউলো দিবালার ফ্রিকিক থেকে ভেসে আসা বলে হেড করে ব্যবধান ৪-১ করেন ফিওরেন্তিনার ডিফেন্ডার পেৎজেলা।

৪-১ গোলে পিছিয়ে পড়ে ম্যাচ থেকে ছিটকে যায় ইকুয়েডর। এর মাঝে ম্যাচের ৮২তম মিনিটে স্কোরলাইন ৫-১ করেন নিকোলাস ডমিঙ্গেজ। দিবালার ফ্রিকিক থেকে বল পান গুইদো রদ্রিগেজ। সেই বল তিনি বাড়িয়ে দেন ডমিঙ্গেজের কাছে। ডান পায়ের পাওয়ার শ্যুটে বল জালে জড়ান আর্জেন্টাইন মিডফিল্ডার। ইকুয়েডরের কফিনে শেষ পেড়েকটি মারেন লুকাস ওকাম্পোস। ৮৬তম মিনিটে ভার্গাসের বাঁকানো শট ফিরিয়ে দেন ইকুয়েডর গোলরক্ষক। তবে ফিরতি বল জালে জড়াতে ভুল করেননি ওকাম্পোস। শেষ পর্যন্ত ৬-১ গোলের বড় জয় নিয়েই মাঠ ছাড়ে স্কালোনির শিষ্যরা।

ছবিঃ ইন্টারনেট থেকে সংগৃহীত

উপরে