fbpx
You are here
Home > ক্রিকেট > ইংল্যান্ডের কাছে সুপার ওভারে সিরিজ হারলো নিউজিল্যান্ড!

ইংল্যান্ডের কাছে সুপার ওভারে সিরিজ হারলো নিউজিল্যান্ড!

ইংল্যান্ডের কাছে সুপার ওভারে সিরিজ হারলো নিউজিল্যান্ড!

পাঁচ ম্যাচ টি-টোয়েন্টি সিরিজ খেলতে নিউজিল্যান্ড সফর করছে বিশ্বকাপ জয়ী ইংল্যান্ড। বিশ্বকাপ ফাইনালের পর এই সফরেই তাদের মধ্যে প্রথম দেখা। সেখানে প্রথম ৪ ম্যাচের ২টিতে ইংল্যান্ড এবং ২টিতে নিউজিল্যান্ড জিতে সিরিজে সমতায় ছিল দুই দল। আজ ৫ম ম্যাচটি ছিল তাই সিরিজ নির্ধারনী ম্যাচ। আর সুপার ওভারে এই ম্যাচ জিতে নিয়ে ইংল্যান্ড সিরিজ জয়ের পাশাপাশি নিউজিল্যান্ডকে মনে করিয়ে দিল বিশ্বকাপ স্মৃতি।

এর আগে বৃষ্টি বিঘ্নিত ম্যাচে খেলার পরিসর কমিয়ে ১১ ওভার করা হয়। আর টস হেরে আগে ব্যাট করতে নামে নিউজিল্যান্ড। কিউই দুই ওপেনার মারটিন গাপটিল এবং কলিন মুনরোর ঝড়ো ব্যাটিংয়ে ওপেনিং জুটিতেই ৮৩ রান তোলে নিউজিল্যান্ড। এর মাঝে গাপটিল তুলে নেন নিজের অর্ধশতক। ৫.১ ওভারে মাত্র ২০ বলে ৫০ রান করে আদিল রশিদের শিকার হয়ে ফিরে যান তিনি। দলীয় ৯৩ রানে ফিরে যান ক্রিজে নতুন আসা গ্র্যান্ডহোমও।

শেষ পর্যন্ত মুনরোর ২১ বলে ৪৬ এবং সিফার্টের ১৬ বলে ৩৯ রানের ইনিংসের কল্যাণে নির্ধারিত ১১ ওভার শেষে ৫ উইকেট হারিয়ে ১৪৬ রানের বড় সংগ্রহ পায় নিউজিল্যান্ড। ইংল্যান্ডের পক্ষে ১টি করে উইকেট নেন স্যাম কারান, টম কারান, আদিল রশিদ এবং সাকিব মাহমুদ।

১৪৭ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে শুরুতেই বিপাকে পড়ে ইংল্যান্ড। দলীয় ৯ রানের মধ্যে ২ উইকেট হারিয়ে বসে বিশ্ব চ্যাম্পিয়নরা। তবে এরপর অধিনায়ক মরগানকে সাথে নিয়ে শুরুর ধাক্কা সামাল দেওয়ার চেষ্টা চলান ওপেনার জনি বেয়ারস্টো। তবে দলীয় ৩৯ রানে ফিরে যান মরগানও। বোল্টের শিকার হয়ে সাজঘরে ফেরার আগে ২ ছয় ও ১ চারের সুবাদে ৭ বলে ১৭ রান করেন তিনি।

মরগান ফিরে গেলে স্যাম কারানকে সাথে নিয়ে জুটি গড়েন বেয়ারস্টো। দুজন মিলে আরও ৬১ রান যোগ করেন ইংলিশ স্কোরবোর্ডে। ৬.৬ ওভারে দলীয় ১০০ রানে ফিরে যান বেয়ারস্টো। আউট হওয়ার আগে ৫ ছয় ও ২ চারের সুবাদে ১৮ বলে ৪৭ রান করেন তিনি। বেয়ারস্টো ফিরে গেলেও জয়ের সমীকরণটা সহজ ছিল ইংল্যান্ডের জন্য। কিন্তু শেষ দিকে কিউই বোলারদের দুর্দান্ত বোলিংয়ে ১০.৩ ওভারে ইংল্যান্ডের স্কোরলাইন দাঁড়ায় ৭ উইকেট হারিয়ে ১৩৪ রান। জয়ের জন্য প্রয়োজন ৩ বলে ১৩ রান। এমন পরিস্থিতিতে ক্রিজে আসেন ক্রিস জর্ডান। আর শেষ ৩ বলে ১ ছয়, ১ চার এবং ১ দুইয়ে ১২ রান তুলে নেন তিনি। ম্যাচ হয়ে যায় টাই। ফিরে আসে বিশ্বকাপ স্মৃতি।

সুপার ওভারে ইংল্যান্ডের হয়ে ব্যাট করতে নামেন মরগান এবং বেয়ারস্টো। আর কিউইদের হয়ে বল হাতে তুলে নেন অধিনায়ক সাউদি। মরগান-বেয়ারস্টো মিলে সুপার ওভারে তোলেন ১৭ রান। ১৮ রানের লক্ষ্যে নিউজিল্যান্ডের হয়ে ব্যাট করতে নামেন মার্টিন গাপটিল এবং সিফার্ট। আর ইংলিশদের হয়ে বল তুলে নেন ক্রিস জর্ডান। সুপার ওভারে প্রথম ৩ বলে নিউজিল্যান্ড তুলে নেয় ৭ রান। তবে চতুর্থ বলে মরগানের দুর্দান্ত ক্যাচে সাজঘরে ফেরেন সিফার্ট। পরের দুই বলে প্রয়োজন ছিল ১১ রানের। কিন্তু শেষ দুই বলে মাত্র ১ রান তুলতে সক্ষম হয় নিউজিল্যন্ড। আর নিউজিল্যান্ডকে বিশ্বকাপের দুঃসহ স্মৃতি মনে করিয়ে দিয়ে আবারও ম্যাচ জিতে নেয় মরগান বাহিনী।

সংক্ষিপ্ত স্কোরকার্ডঃ

নিউজিল্যান্ডঃ ১৪৬/৫, ১১ ওভার (গাপটিল ৫০, মুনরো ৪৬, সিফার্ট ৩৯; সাকিব ১/২০, টম ১/৩০, স্যাম ১/৩৩)

ইংল্যান্ডঃ ১৪৬/৭, ১১ ওভার (বেয়ারস্টো ৪৭, স্যাম ২৪, মরগান ১৭; স্যান্টনার ২/২০, নিশাম ২/২৫, বোল্ট ২/৩৫)

ফলাফলঃ ম্যাচ টাই (সুপার ওভারে ইংল্যান্ড জয়ী)

প্লেয়ার অব দ্যা ম্যাচঃ জনি বেয়ারস্টো (ইংল্যান্ড)

সিরিজঃ ৫ ম্যাচ সিরিজে ইংল্যান্ড ৩-২ এ জয়ী

প্লেয়ার অব দ্যা সিরিজঃ মিচেল স্যান্টনার (নিউজিল্যান্ড)

ছবিঃ ইন্টারনেট থেকে সংগৃহীত

উপরে